মাঘের প্রথম দিবসেই বুঝা তুইঞ, পরদিন গাঁড়িদং

0
922
মাঘের প্রথম দিবসেই বুঝা তুইঞ , পরদিন গাঁড়িদং ।

মাঘের প্রথম দিবসেই বুঝা তুইঞ, পরদিন গাঁড়িদং।

মাঘের প্রথম দিবসেই বুঝা তুইঞ , পরদিন গাঁড়িদং ।

সাঁওতালদের বারোমাস্যা
মাসাং মান্ডী
মাঘের প্রথম দিবসেই বুঝা তুইঞ , পরদিন গাঁড়িদং । তার পরেই সাঁত্ততাল পুরুষেরা বনে যায় শিকার করতে । সে সময় স্ত্রীরা নিজ স্বামীর অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসার কামনায় শাঁখা সিঁদুর সঁপে দেয় কুলদেবতার কাছে । এ পরম্পরা আজও চলছে । পৌষসংক্রান্তির সারারাত চলে আগুন জ্বেলে তার সামনে গোল হয়ে বসে টামাক তুমদা বাজিয়ে সরাই সেরেঞ ( গান ) । আর তালে তালে নাচ । তবে আপনজনকে সাদর আমন্ত্রণ শুভেচ্ছাও জানানো হয় “ রংগ রংগ খজরি , কাকরা যাং পিঠ , আগুন সাকরাত । ’’ পরদিন সকালে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির কামনায় পুজো চলে ঘরে ঘরে । বিকেলে ধানজমিতে একদিকে নাচ-গান আর অন্যদিকে ধানজমিতে চলছে প্রায় ১০০ মিটার দূরে পোঁতা কলাগাছের থোরে ধনুকগাঁথার প্রতিযোগিতা । এটাই বুঝা তুইঞ । এই প্রতিযোগিতায় যারা প্রথম , দ্বিতীয় , তৃতীয় হন তাঁদের কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া হয় মাঝি হারাম ( মোড়ল ) এর বাড়িতে । সেখানে বিজয়ীদের ধুতি , গেঞ্জী আর এক হাঁড়ি হানডি ( হাঁড়িয়া ) দেওয়া হয় পুরস্কার স্বরূপ । তারপর আবার রাতে চলে নাচ গান । পরদিন গাঁড়িদং । অবশেষে পুরুষেরা বেরিয়ে যান শিকারের জন্য । জীবনের প্রয়োজনে ।
ভেড়ুয়া , বর্ধমান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here