যারা নিজেদের সেক্সুয়ালি প্রকাশ করে থাকে তাদের প্রবলেম হয় বটে – অস্মিতা সরকার, ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইসা

0
1271
যারা নিজেদের সেক্সুয়ালি প্রকাশ করে থাকে তাদের প্রবলেম হয় বটে - অস্মিতা সরকার, ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইসা

যারা নিজেদের সেক্সুয়ালি প্রকাশ করে থাকে তাদের প্রবলেম হয় বটে – অস্মিতা সরকার, ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইসা

যারা নিজেদের সেক্সুয়ালি প্রকাশ করে থাকে তাদের প্রবলেম হয় বটে – অস্মিতা সরকার, ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইসা

স্বপ্নের ক্যাম্পাসে

ইনি সমকামীদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলনকারী । নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশান ( আইসা ) এর ভাইস প্রেসিডেন্ট । যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত বিভাগের স্নাতক স্তরের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী । সম্প্রতি ছাত্রভোটে নিজের সমকামী পরিচয় দিয়ে প্রার্থী হওয়া । ইত্যাদি । নানা পরিচয়ের পালক যাঁর মুকুটে সেই অস্মিতা সরকার এবার আমাদের স্বপ্নের ক্যাম্পাসে । আমরা তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম

প্রশ্ন – ৩৭৭ ধারা বাতিল না হওয়ার কারণ রাজনৈতিক নাকি সামাজিক ?
অস্মিতা – সামাজিক ।
প্রশ্ন- ভারতে এখনো খুব কম মানুষ এলজিবিটি শব্দের সাথে পরিচিত। গ্রহণ করা তো অনেক দুরের কথা। কি উপায়?

অস্মিতা – প্রাইমারী এডুকেশানে যেমন সেক্স এডুকেশান দরকার তেমনই এলজিবিটি নিয়ে একটা প্রাইমারী এডুকেশান দরকার সব জায়গায় যাতে মানুষ এলজিবিটিকে সোসাইটিতে আনন্যাচারাল বা অ্যাবনরম্যাল না বলে ।

প্রশ্ন- এলজিবিটি ককমিউনিটি আত্মপ্রকাশের পর টিজিং এর শিকার হয়। নইলে সমস্যা নেই। অনেকেই একথা বলেন। আপনার মতে কি এটা ঠিক?

অস্মিতা – প্রত্যেক এলজিবিটি কমিউনিটির মানুষ যারা নিজেদের সেক্সুয়ালি প্রকাশ করে থাকে তাদের প্রবলেম হয় বটে । তাদের লোকজন লেসবো , ছক্কা এইসব টার্ম দিয়ে ভার্বালি অ্যাবইউস করে থাকে এবং বিশেষ করে যারা ক্রসড্রেস করে তাদেরকে আরও এইসব রোজকার দিনে ভিকটিম হতে হয় এই সমাজে ।

প্রশ্ন – এলজিবিটি কমিউনিটি সংখ্যায় খুব কম। তাই রাষ্ট্রের কাছে গুরুত্ব হীন। এই সং রক্কনের দেশে সংখ্যায় শেষ কথা বলে। আপনার কি মনে হয়?

অস্মিতা _ গুরুত্বহীন তো একদমই নয় । একটা মানুষ কাকে ভালোবাসবে , সেটা সোসাইটি ঠিক করে দিতে পারে না কারণ আমার শরীর আমার মন যার উপর ডিকটেট করতে পারে না রাজশাসন । এমনকি ট্রান্সজেন্ডারকে ড্রিসক্রিমিনেট করা উচিত নয় । একটা অ্যাডমিশানের সময় ট্রান্সজেন্ডার বা থার্ডজেন্ডার হিসাবে ধরে অ্যাডমিশানে আইসোলেশান এ ফেলা উচিত না বরং তাদের নলেজ এবং ট্যালেন্ট এর ভিত্তি করে অ্যাডমিশান নেওয়া উচিত । তাদের যাতে এই ডিফিকাল্টি ফেস না করতে হয় তার জন্য ট্রান্সজেন্ডারদের একটা সেল রাখা উচিত কারণ থার্ড জেন্ডার যাদের ধরে নেয় সোসাইটি তাদের অবসেসানটা সবথেকে বেশি ফেস করতে হয়। কিন্তু তারাও মানুষ, তারা আলাদা কিছু নন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here