পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত ভোটারের সংখ্যা খসড়া তালিকা অনুসারে মাত্র ৯৮৮ জন!

0
1260
পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত ভোটারের সংখ্যা খসড়া তালিকা অনুসারে মাত্র ৯৮৮ জন!

পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত ভোটারের সংখ্যা খসড়া তালিকা অনুসারে মাত্র ৯৮৮ জন!

পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত ভোটারের সংখ্যা খসড়া তালিকা অনুসারে মাত্র ৯৮৮ জন!
ছবি সৌজন্যে ইন্টারনেট

আবার ভোটার তালিকায় নাম তোলা, স্থানান্তরিতকরণ, সংশোধন ইত্যাদির কাজ শুরু হয়েছে। চলবে ১৩ই সেপ্টেম্বর-২০১৭ পর্যন্ত। আর সেই কাজের জন্য রাজ্য নির্বাচন দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যাচ্ছে খসরা তালিকায় পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত ভোটারের সংখ্যা মাত্র ৯৮৮ জন। যেখানে ২০১১ সালের জনগণনাতেই এ রাজ্যে তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত মানুষের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ৩০ হাজার ৩৪৯ জন এবং ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট ট্রান্সজেন্ডারদের থার্ডজেন্ডারের স্বীকৃতিও দিয়েছে। তাহলে তারপরেও ভোটারের সংখ্যা এত নগন্য কেন? এর জন্য ধারাবাহিক প্রচারের অভাবকেই দায়ী করছেন তৃতীয়লিঙ্গভুক্ত মানুষদের একাংশ। এ প্রসঙ্গে নাম তৃতীয়লিঙ্গের অধিকার নিয়ে আন্দোলনরত এক প্রকাশে অনিচ্ছুক আন্দোলনকারী বলেন, গতকালই দেখলাম এক বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজ শুরু বলে সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে মোট পুরুষ ভোটার মোট মহিলা ভোটার সব লিখেছে। কিন্তু মোট তৃতীয়লিঙ্গভুক্ত ভোটার কত তা লেখার প্রয়োজনও মনে করে নি। এই যখন অবস্থা তখন কিভাবে তৃতীয়লিঙ্গভুক্ত মানুষেরা নিজ লিঙ্গপরিচয় দিয়ে নাম নথিভুক্ত করার খবর পাবে? তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্তকরনে আগ্রহী করে তুলতে নানা পদক্ষেপ নেন। যেমন কলেজে কলেজে ফরম-৬ ( নাম তোলার আবেদনপত্র) পৌঁছে দেওয়া, নানা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা ইত্যাদি। কিন্তু তৃতীয়লিঙ্গের মানুষদের আগ্রহী করতে চোখে পড়ার মতো কোন পদক্ষেপ নেন না। এর পাশাপাশি তৃতীয়লিঙ্গ নিয়ে কাজ করা এনজিওরা উল্লেখযোগ্য ভূমিক নেয় না। নিলে ছবিটা কিছুটা হলেও উজ্জ্বল হতে পারতো। যাইহোক সবমিলিয়ে সুপ্রিমকোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের তিন বছর পরেও তৃতীয়লিঙ্গের মানুষেরা ব্রাত্যই থেকে যাচ্ছেন। কারণ কে না জানে সরকারী কিছু সুযোগ সুবিধার দাবি জানানোর জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন সরকারী পরিচয়পত্রে নিজেদের পরিচয় লিপিবদ্ধকরন। সেটাই যদি না হয় তাহলে বাকী সুবিধা পাওয়া কত আলোকবর্ষ দূরে তা মহাকাল জানে।
এক্সিকিউটিভ এডিটর, ড্রিমনিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here