নারীস্তনের ভূপতনচিত্র নারীর-অ-সম্মান, পাশাপাশি রূপান্তরকামী পুরুষকে ব্যঙ্গ, বলছে সোস্যাল মিডিয়া

0
638
এই সেই চিত্র যাকে ঘিরে সমালোচনা

নারীস্তনের ভূপতনচিত্র নারীর-অ-সম্মান, পাশাপাশি রূপান্তরকামী পুরুষকে ব্যঙ্গ, বলছে সোস্যাল মিডিয়া

এই সেই চিত্র যাকে ঘিরে সমালোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ শিল্পের স্বাধীনতা সীমাহীন হওয়া উচিৎ নাকি কোথাও একটা সীমারেখা থাকা উচিৎ। এ বিতর্ক আবহমান কাল ধরে চলে আসছে। আগামী দিনেও চলবে। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি শিল্পের স্বাধীনতার পক্ষে। এমনকি সেই স্বাধীনতা সীমাহীন হলেও আপত্তি নেই। কিন্তু মুশকিল হলটা এই যে, শিল্পচর্চা করলেই শিল্পী হওয়া যায় না। শিল্পীর প্রথম ও প্রধান দ্বায়িত্ব কাউকে অসম্মান না করা। শিল্পী তার স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কাউকে অসম্মান করেন বলেই শিল্পের স্বাধীনতায় সীমারেখা টানতে হয় অনেক সময়। এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, নেতিবাচক ভাবনার উপস্থাপনা আর কাউকে অসম্মান করা এক নয়। শিল্পী তার মনন অনুযায়ী নেতির সাধনা করতেই পারেন। সেক্ষেত্রে কিছু বলার নেই। কিন্তু শিল্পকর্ম দ্বারা যদি কেউ বা কারা অসম্মানিতা হন, তখন হাজার প্রশ্ন উঠবেই। যেমনটা উঠেছে থিঙ্কিং আর্ট নামক একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক কার্টুনচিত্রকে ঘিরে। চিত্রে নারীর অন্তর্বাস ও স্তনদ্বয়কে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা রীতিমতো নারী-অ-সম্মান। এমনটাই মন্তব্য করছেন উক্ত পেজের ভিউয়াররা। বলা বাহুল্য কার্টুনচিত্রে নারীস্তনকে যেভাবে ভূপতিত করে অঙ্কন করা হয়েছে তার উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হলেও, তা যে নারীর অসম্মান সে বিষয়ে অধিকাংশের দ্বিমত নেই। পাশাপাশি বহু রূপান্তরকামী পুরুষ যারা শরীরে নারী কিন্তু মনে পুরুষ তারা সার্জারির দ্বারা পুরুষ হওয়ার জন্য স্তনচ্ছেদন করে থাকেন। এ চিত্র সেই দিকেরও ইঙ্গিতপূর্ণ এবং তা অত্যন্ত কুরুচির সহিত। যাইহোক বলা বাহুল্য কার্টুনচিত্রটি পোস্ট হওয়ার পর এ পর্যন্ত কয়েক হাজার শেয়ার ও কমেন্ট পড়েছে। এবং সেই কমেন্টের বেশিরভাগই কার্টুনচিত্রটির নিন্দা করেই। অনেকে অবশ্য এই ধরনের নেগেটিভ কার্টুন অঙ্কন করে পোস্ট করাকে সস্তা পাবলিসিটির উপায় বলেও উল্লেখ করেছেন। সেক্ষেত্রে অবশ্য পেজটি ইতিমধ্যেই সফল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here