ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীকে আবার অপমান। ‘সোনাময়ী মা-২’ নামক ভিডিওতে। প্রতিবাদ জানাতে প্রস্তুতি

0
717
সেই ভিডিও-র স্ক্রিনশর্ট

ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীকে আবার অপমান। ‘সোনাময়ী মা-২’ নামক ভিডিওতে। প্রতিবাদ জানাতে প্রস্তুতি

সেই ভিডিও-র স্ক্রিনশর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ সেই পরম্পরা আজও চলছে। সঞ্চালক মীর একসময় মে দিবসের দিনকে  মেয়েদিবস নাম দিয়ে ক্রসড্রেসে ছবি পোস্ট করে অপমান করেছিলেন ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীকে। ব্যঙ্গ করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষের মতো চলচ্চিত্র পরিচালককে। সেরকম আরও অনেকজন লোক হাসানোর নামে হাসি-ঠাট্টামূলক ছবি, ভিডিও ইত্যাদি করে থাকেন। যদিও ভারতীয় সংস্কৃতি তথা ভারতীয় সংবিধান অনুসারে কেউ কোন গোষ্ঠীকে বিনোদনের নামে অপমান করতে পারে না। আঘাত করতে পারে না। তবুও  বহাল তবিয়তে এইসব করে ক্রসড্রেসার-রূপান্তরকামী গোষ্ঠীকে অপমান করা হচ্ছে।

যেন সেই  ধারা মেনেই আবারও সম্প্রতি https://www.facebook.com/saraasvines/   তাদের ইউটিউব চ্যানেলে  (https://youtu.be/sZbOtZ5AJo4) . একটি ভিডিও আপলোড করেছেন যা ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীকে রীতিমতন অপমান করছে বলে অভিযোগ। ভিডিও টির কিছু অঙ্গভঙ্গি কিছু শব্দচয়ন এবং সর্বোপরি পোশাক পরিচ্ছদ ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীকে যে ইঙ্গিত করছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রসড্রেসার বলেন, শারীরিকভাবে পুরুষ হয়েও একজন কেন নারী পোশাক পরেন, পরতে ভালোবাসেন তা বোঝার মতো মানসিক দক্ষতা যদি শিল্পী-সাহিত্যিকদেরও না থাকে তবে সাধারন মানুষের কি করে সেই দক্ষতা আসবে। এখানে মনে রাখা দরকার লোক হাসানো, আর ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা কিন্তু এক জিনিস নয়। অন্যদিকে রূপান্তরের এক নারী উক্ত প্রসঙ্গে বলেন, এসব ভিডিও জনতার কাছে ভুল বার্তা দেয়।  যেখানে আইডিন্টিটি ক্রাইসিস নিয়ে প্রতি নিয়ত লড়তে হয় সদ্য কাম-আউট করা ট্রান্স নারী দের। সেখানে এই ভিডিও অনেক খানি হতাশাজনক ও নক্কারজনক।  তিনি আরও বলেন, অনেক সহ্য হয়েছে। চুপও থেকেছি। কিন্তু আর নয়, এবার জোরালো প্রতিবাদ করবই।

যাইহোক, এই ধরনের ভিডিও নির্মান বন্ধ করতে যেটা সর্বাগ্রে প্রয়োজন তা হল আইন। এবং সেই আইন একবার হলে তার সাহায্যে নানা পদক্ষেপ নেওয়া যাবে বলে অভিমত ক্রসড্রেসার গোষ্ঠীদের। তবে সেই আইন তৈরির জন্য ও এই ধরনের ভিডিও তৈরি  বন্ধ করার জন্য আন্দোলনের কোন বিকল্প যে নেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here