অধ্যাপনার পরীক্ষায় তৃতীয় লিঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সাফল্য

0
65
প্রতীকী ছবি

অধ্যাপনার পরীক্ষায় তৃতীয় লিঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সাফল্য

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে আমরা প্রথম রূপান্তরিত নারীকে ( মানবী বন্দ্যোপাধ্যায়) অধ্যক্ষ হিসাবে পেয়েছি। সেই রাজ্যেই প্রথম ডব্লিউবিসিএস এবং প্রথম আইএএস পরীক্ষার্থীকে হিসাবেও পেয়েছি আমরা রূপান্তরকামী নারীকে(অত্রি কর) । প্রথম রূপান্তরকামী নার্স ( জিয়া দাস), প্রথম রূপান্তরকামী নারী আইনজীবী(মেঘ সায়ন্তন ঘোষ), প্রথম রূপান্তরকামী নারী ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (জিয়া), প্রথম রূপান্তরকামী নারী শিক্ষিকা ( রিয়া সরকার) প্রমুখ  সরকারী নানা স্তরে এই রাজ্যেই রূপান্তরকামীদের সাফল্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। সেই দৃষ্টান্তে নতুন সংযোজন কলেজ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় তিন তিনজন পরীক্ষার্থীর সাফল্য অর্জন।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ এতদিন নিজস্ব পরিচয়ে অধ্যাপনার নিয়োগ পরীক্ষায় বসার সুযোগ ছিল না। এবারই প্রথম ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন)  সেই সুযোগ দেয়। আর সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন ছয় জন তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি। তাঁরা নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয়ে সেট (স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট) পরীক্ষায় বসেন । এবং প্রথমবারেই তিনজন সফল হন। সফল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজন হলেন দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য ( বর্তমানে তিনি  গার্ডেনরিচ হরিমোহন ঘোষ কলেজের আংশিক সময়ের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত) যিনি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নিজস্ব সাফল্য সম্পর্কে বলেন, “অনেক রূপান্তরকামী নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ্যে আনতে চান না। আমি অবশ্য ওই পরিচয়েই পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কমিশন জানিয়েছে, আমি উত্তীর্ন হয়েছি। এই অনুভুতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”  যাই হোক রূপান্তরকামী তথা তৃতীয়লিঙ্গের মানুষদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এই সাফল্য যে বিশেষ সহায়ক হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।     তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা ( ০৫.০৩.১৯)

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here