ট্রান্সটিজিং বা ইভটিজিং কিংবা আদমটিজিং সবই সমান অপরাধের

0
59
সৌজন্যে ইন্টারনেট

অবকাশে সঞ্জয়ঃ সভ্যতার সূচনালগ্নের প্রথম নরও নারী আদম ও ইভ। এমনই বিশ্বাস। সেই আদমরা (পুরুষরা) যখন ইভদের উপর যৌন নির্যাতন চালায়, তখন তা হয়ে ওঠে ইভটিজিং। বলা বাহুল্য এই ইভটিজিং বন্ধ করার জন্য বিশ্বজুড়ে কঠোর থেকে কঠোরতর আইন তৈরি হয়েছে। হওয়াটা উচিৎও। যদিও সেই আইন ইভটিজিং  বন্ধ করতে পারে নি।

 শুধু ইভটিজিং কেন, কোনরূপ টিজিংই বন্ধ হয় নি। সমাজে সংখ্যায় কম হলেও আদমটিজিংও হয়। যদিও আদমটিজিং এর বিরুদ্ধে কোন আইন নেই। ইভ অর্থাৎ নারীদের দ্বারাও যে আদম বা পুরুষরা যৌন নির্যাতনের শিকার হতে পারে, তা যেন রাষ্ট্র মানতে চায় না। মানে না।

তবে ইভটিজিং ও আদমটিজিং এর পাশাপাশি আরও একটা টিজিং ভয়ঙ্করভাবে সমাজে বেড়ে চলেছে। তা হল ট্রান্সটিজিং। রূপান্তরকামীদের উপর ইভ ও আদমরা যে নির্মম টিঞ্জিং চালায়, তার বিরুদ্ধে না আছে সামাজিক প্রতিবাদ, না আছে আইনি ব্যবস্থা। এমনকি ট্রান্সটিজিং যে হয় তার স্বীকৃতিটুকুও দেয় না আমার দেশ, আমার সমাজ। প্রতিবাদ তো অনেক দূর অস্ত।

তাই দ্ব্যর্থহীনভাবে একটাই কথা বলার যে, ট্রান্সটিজিং হোক বা ইভিটিজিং কিংবা আদমটিজিং সকলরকম টিজিং এর বিরুদ্ধে গড়ে উঠুক প্রতিবাদ। তৈরি হোক আইন। কোনরূপ লিঙ্গবিষম্য নয়। সামগ্রিকভাবে মনুষত্বের টিজিং এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসুক সমাজ। আর সেই সমাজের এগিয়ে থাকা অংশ সোস্যাল মিডিয়া এ বিষয়ে অগ্রণী হোক। শুরু হোক প্রতিবাদ। টিজিং নয়। লব্‌। লব্‌। লব্‌। এটাই হোক শেষ কথা।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here