ছোটোগল্প: সহযোগী//সুমিতা মুখোপাধ্যায়

0
117

  সহযোগী

সুমিতা মুখোপাধ্যায় 
আগের দিন রাত্রের অভিজ্ঞতা কঙ্কনার তেমন ভালো নয়,সারারাত ছটফট করে শেষে ভোররাতে ঘুমের ওষুধ টা খেতে হয়েছিলো, আগে ভেবেছিলো হয়তো এটা আর লাগবে না তার জীবনে,আস্তে আস্তে ছাড়ার অভ্যাস করে নেবে। কিন্তু না! তা বোধ হয় আর হবে না।তবুও ঠিক ভোরে ঘুম ভেঙে যায়, বুকের ভিতর টা কেমন ধড়ফড় করে,  উঠে বসে, রাতের পোশাক বদলাবারও ইচ্ছা হয় নি।কেমন যেন অজস্র কাঁটা গায়ে বিঁধছে! খুব কষ্ট হচ্ছে, ওদিকে ঘুমে অচেতন প্রায় বিভাস। কাল তাঁদের ফুলশয্যা গেছে, লোকজন কে  জানিয়ে বেশ। তবে বিয়ের দিন থেকেই দেখেছে, তাঁর স্বামী কেমন যেন আড়ালে আড়ালে থাকছে। কঙ্কনার বাড়ির লোকজন কতো ঠাট্টা করলেও সে যেন কেমন অন্যমনস্ক।সবাই ভেবেছে,লাজুক ছেলে, বুঝি এমনই হয়, প্রাণচঞ্চল কঙ্কণার পাল্লায় পড়ে একেবারে ওর মতোই করে নেবে। তবুও এতো কথার মাঝে কঙ্কণার কেমন যেন মনে কু ডাকছিলো। শ্বশুর বাড়িতে এসেও অবধি দেখছে,কেমন যেন, দূরে দূরে সরে থাকছে, তবুও কঙ্কণা ভেবেছে ফুলশোভিত রাত্রের মাতাল করে তুলবে তাঁর স্বামী কে, মনে মনে এটাও ঠিক করেছে, তাকেই আগে সব কিছু শুরু করতে হবে!কিন্তু কী হলো? সেই রাতে? কঙ্কণার সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেলো।সেদিন রাত বারোটায়, বিভাস কে দিয়ে গেলো ফুলশোভিত, সুগন্ধি ঘেরা ঘরে, চললো কিছু নিয়ম, কিন্তু বিভাস বেশ বিব্রত! সবাই চলে গেলে কঙ্কণাই দোরে ছিটকানি দিলো। বিছানার একপাশে বসা বিভাস। তার কাছে এসে আলতো স্পর্শে কঙ্কণা বললো, কী গো তোমার বুঝি আমাকে ভালো লাগেনি? এমন করছো কেনো? গায়ে হাত টা ছিটকে সরিয়ে দিলো বিভাস,মুখ থেকে একটা শব্দ বেরোলো ” অসহ্য”!!! মানে? বলে উঠে দাঁড়ালো কঙ্কণা। পায়ের তলায় মাটি সরছে, উচ্চ শিক্ষিত খুব গরীব ঘরের মা- বাপ মরা মেয়ের।মামা তাঁর সাধ্যমতো লেখাপড়া শিখিয়েছেন, ওর যখন একবছর বয়স, তখনও একটা দুর্ঘটনায় মা,বাবাকে হারায়, মামা,মামি নিঃসন্তান, কঙ্কণাকে।বুকে তুলে নেয়,গ্রাম্য সরল সাদাসিধা মানুষ। কোলকাতার ভালো একমাত্র সুশিক্ষিত সুপুরুষ, ভালো সরকারি চাকরি দেখে বিয়ের ঠিক করেন। ওদের বাড়ির আত্মীয়রা,ও কঙ্কণাও তখন কথা বলতে চেয়েছিলো হবু বরের সাথে, বর এড়িয়ে গেছে, একবারই গিয়েছিলো দেখতে,কিন্তু কোনো কথা বলেনি। এদিকে বিভাসের মা,বাবা বেশ তাড়াহুড়ো করেই।বিয়ে ঠিক করে ফেলে, তবে অনুষ্ঠানে তেমন আত্মীয় স্বজন ছিলো না, বিভাস দের,আর তেমন প্রতিবেশীও নয়, হয়তো শহুরে কালচার এটা!আবার যখন কঙ্কণা,পাশে বসে স্বামীর বুকে হাত রেখে পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে যায়, তখনই একটা হুঙ্কার দিয়ে উঠে ছিটকে সরে গিয়ে ঘর সংলগ্ন বাথরুমে ঢোকে বিভাস,দরজা বন্ধ। এদিকে মন কেমন করা কঙ্কণা শুনতে পায়,বাথরুম থেকে আসা বিভাসের গলার আওয়াজ……..যেন কারোর সাথে ও সঙ্গম করছে…..!! এ কী করে হয়!! বাথরুমের দরজা বেশ ঝাঁকানি দিলে, হঠাৎ বেরিয়ে আসে বিভাস, কী করছিলে, মুখচোখ লাল কেনো? কী হয়েছে? শরীর খারাপ!!!  পরপর এই কটা প্রশ্ন করে যায় কঙ্কণা।একটাও উত্তর পায় না, বিভাস নিয়ে টলতে টলতে বিছানায় শুয়িয়ে দেয়, কিছুপর জামার বোতাম গুলো খুলে দেয়,ফ্যানটা আরো জোড়ে করে দেয়, বিভাস পাঁচমিনিটেই ঘুমিয়ে যায়। আস্তে আস্তে কঙ্কণা বাথরুমে ঢোকে, আলো জ্বালাতেই দেখে, কমোডের সরাসরি একটা উলঙ্গ মডেলারের ছবি,  টাঙানোটা একটা চিট দিয়েই, একটু বাঁকা ফটোটা,বোঝা যাচ্ছে কিছুক্ষণ আগে লাগানো! মাথা  থেকে শিরদাঁড়া বেয়ে একটা হিমেল স্রোত বয়ে গেলো কঙ্কণার…..দুচোখে দিশাহীন দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে, সবটা বুঝে সে হতভম্ব!  আস্তে আস্তে মনের অব্যক্ত যন্ত্রণায় বাথরুমের দেওয়াল বেয়েই  জলে ভেজা মেঝেতে বসে পড়ে,হাঁটু মুড়ে মুখ ঢুকিয়ে কাঁদতে থাকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। কেউ দেখে না, কাকে বলবে! নিজের ভাগ্য নিজেকেই বদলাতে হবে।চোখ মুছে,দৃঢ় চেতা কঙ্কণা মনে মনে বলে, আমিতো এতেদিন লড়াই করেছি, এবার আমার সামনে আরেক লড়াই, আমাকে পারতেই হবে। উঠে দাঁড়িয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে প্রণা করে বলে,আজ থেকে আমার আবার নতুন লাড়াই। মা,বাবার উদ্দেশ্যে প্রণাম জানিয়ে বলে,” আমি যেন আমার স্বামী কে মলস্রোতে নিয়ে আসতে পারি।” মামা,মামী কে এ বিষয়ে দোষারোপ করে না।তাঁরা তাকে শিক্ষার আলোকে এনেছেন,অনেক কষ্ট করে,সরল মনে বিশ্বাস করে এঁদের হাতে তুলে দিয়েছেন, ফিরে যাওয়া,তাঁর স্বভাবে নেই, একের পর এক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে সে, সবার সাথে মোকাবিলা করার ক্ষমতা তার আছে। সেই রাতেই সব কিছু সাজিয়ে নে, এর পর সে কী কী করবে! তারপর সে ওষুধ খেয়ে ঘুমায়।বিভাসের ঘুমন্ত মুখটা তাকে বড্ড বেদনা দিচ্ছে, এই মানুষ টা এই জন্যই কী…….জানালার পর্দা সরালো,বাথরুমে স্নান করলো, ফটো রাখতে গিয়ে দেখলো আরেক তাকে রোল করা আরো ঐ রকম ফটো আছে। একটা একটা করে খুলে দেখলো, আর মুচকি হাসি পেলো, তার সাথে চোখের কোনে চিকচিক করে উঠলো জলের কণা।শুধু মনকে শক্ত করে দাঁত চেপে বেরিয়ে এলো, বিছানা বালিশ বেশ এলোমেলো করলো, ফুল গুলো একটু আধটু ছড়িয়ে ছিটিয়ে…..যাতে কিছু বোঝা যায়। নীচে নেমে সোজা রান্নাঘরে, কয়েকটা ঘরের দরজা খোলা, কথাবার্তা চলছে, শাশুড়ী মা ওঠেন নি। শ্বশুর মশাই সকালের হাঁটা শেষে বাড়ি ঢুকলো, মা কনক তুমি এতো সকালে উঠেছো! আবার চা, বেশ দাও মা, কঙ্কণা কে শ্বশুর মশাই আগের থেকেই বলে এসেছিলেন, এমন সোনার মতো গায়ের রঙ্ আমি কনক বলে ডাকবো।সামনে বসে একসাথে চা খেলো,একটু টুকরো কথার আলাপ চললো, তাতে হাসির রেখাও তাকে টানতে হলো মুখে।ওপরে বিভাসের জন্য চা নিয়ে হাজির নতুন বউ। বিভাস ততক্ষণ কী যেন খুঁজছিলো, কঙ্কণা বললো, খুঁজতে হবে না,আমি যথাস্থানে রেখে দিয়েছি। এসো চা খাও, আজ তো অফিস যাবে না। তাড়াতাড়ি স্নান সেরে নীচে এসো, অনেকে অপেক্ষা করছে।বলে কঙ্কণা শেষকরা চায়ের তলানিটুকু নিয়ে নেমে এলো, বিভাস যেন কুঁকড়ে আছে।নীচে নেমে সবার সাথেই স্বাভাবিক কথাবার্তা বলছে, হাসছেও, কিন্তু কঙ্কণার সামনাসামনি হলেই কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলছে, আর কঙ্কণা যেন মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টাকে সামলে নিচ্ছে।এইভাবে স্বামী স্ত্রী হয়েও না হওয়ার মতো করে, অষ্টমঙ্গলা পেরোলো, কাজে জয়েন করলো বিভাস। রোজ রাতে বিভাস বাথরুমে গেলেই, কঙ্কণা দৌড়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকে নিঝুৃম রাতের আকাশের দিকে, ও প্রায় লক্ষ্য করে আকাশে একটা একটা করে তারাখসা। মন ভালো হয়ে ফিরে আসে। বহু সঙ্কোচ কাটিয়েও কঙ্কণা পেরেছে, বিভাসের মাথায় হাত বোলাতে, একটা করে তারা খসে, আর একটা করে স্বামীকে একটু একটু স্পর্শ করার যোগ্যতা অর্জন করে। এখন আর ততোটা ছিটকে সরে যায় না সে, প্রতিদিনের বাথরুমের সুখটান নিয়ে সে কঙ্কণার স্পর্শে ঘুমিয়ে পড়ে।কঙ্কণা কে ঘুমের ওষুধের ডোজও বাড়াতে হয়, চিরদিনের ঘুমের অসুবিধা ওর, বান্ধবীরা ঠাট্টা করে বলেছিলো, রাতে যখন বর আদর করে মাতিয়ে তুলবে,তখন দেখবি,….এই ওষুধের আর দরকার হবে না! হায়! তবুও কঙ্কণা হার মানবে না।ছুটির দিন, কঙ্কণা এককাপ চা হাতে নিয়ে বারান্দায় দূরে চেয়ে আছে, আকাশের দিকে মুখ করে, পাশে একটা চেয়ারে গলা খাঁকারি দিয়ে বিভাস এসে বললো, ওর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় জানান দিলো, আজ একটু সুযোগ আছে কথা বলার। কঙ্কণা স্বাভাবিক কথাবার্তা বলতে শুরু করলো,বুঝতেই দেয় না, বিভাস কে বিয়ে করে ওর এতোটুকুও কষ্ট হচ্ছে। বিভাস কিন্তু একটু একটু করে মেয়েটার গতিবিধি দেখে একটু আশ্বস্ত, ক্রমে ক্রমে বিশ্বাসী মনে হতে লাগলো। দুজন দুজনকে স্বামী স্ত্রী ভাবার আগেই যেন বন্ধু ভেবে ফেললো। বিভাস বেশী কথা না বলে বললো, একটা কথা বলতে চাই, একটু ঘরে যাবে! কঙ্কণা বললো, কেনো, ঘরে নয়, চলো তো আমাদের বাগানে যাই, চলো।দুজনে নেমে বাগানের মাটিতে পা রাখলো, অনেকদিন ঘাসমারা হয় নি। বেশ কয়েটি গোলাপের গাছ। পরিস্কার করা হয় নি। সবই বিভাস সামলায়, কিন্তু বিয়ের পর বছর বিভাসের ভাবনা একদম ভয়ে পরিণত হয়েছে।কাউকে কিছু বলতে পারে না। গুমরে থাকে।কঙ্কণা হাতটা ধরলো বিভাসের।বিভাস বাধা দিলো না। বলছিলাম কী……..থাক আর, বলতে হবে না, শোনোনা, বলছিলাম কী আমি তোমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো। যাবে?বিভাসের মুখ কালো হয়ে এলো, কঙ্কণা পরিস্থিতি সামলে বললো,আরে আমার এমন হলে তুমি নিয়ে যেতে তো! না,অসুখটা বাড়তে দিতে? বলো? এইরকম সমস্যা অনেকের আছে গো, আমি জানি তুমি সবেতেই একটা বৃহৎ স্থানে আছো, আর এই সামান্য সমস্যার সমাধান হবে না!! হবেই।বিভাস থমকে দাঁড়িয়ে ছিলো।কঙ্কণার দুহাত ধরে ঝরঝর করে কেঁদে ফেললো। আর অস্ফুটে বললো, তুমি এতোটা সহ্য করে আমাকে ভালো করার চেষ্টা করছো, আমি ভাবতেই পারছি না গো, যুবক বয়েসের বদ্ অভ্যাস ত্যাগ করতে পারিনি গো, অনেক চেষ্টা করেছি, কাউকে বলতে পারিনি, ডাক্তারের পরামর্শ নেবো,! কেউ যদি জেনে ফেলে, সেই তখন থেকেই একটা ভয় আমাকে তাড়া করে বেড়াতো, আর এই কয়দিনে আমি বুঝেছি, তোমাকে সব বলা দরকার। আমি বিয়ে করতে চাই নি যেন, তোমার মতো এইরকম কে সহ্য করতো বলো! তোমাকে দেখি আর আশ্চর্য হই! কঙ্কণা বাম হাতের আঙুল দিয়ে চোখ থেকে টপকে পড়া জল কে চটজলদি মুছে বললো, ঐ দেখো, ওটা ক্যাকটাস তো! কেমন জঙ্গলে ডুবে আছে! কী সুন্দর বলো। বিভাস বলে, বাবা ওটা পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে নিয়ে এসেছিলেন, আমি একপ্রান্তে বসিয়ে দিয়েছিলাম। শোনো বাগান টাকে পরিস্কার করবো, তুমি আর আমি, করবে? একসাথে? খুব মজা হবে? বিভাস।বললো বেশ তাই হবে।কাল রবিবার,কাল শুরু করবো।শনিবার রাতে কঙ্কণা স্বামীর হাতদুটো ধরে চুম্বন করলো, একটু আলতো সরিয়ে নিয়ে, বিভাসও স্ত্রীর কাঁধে হাত রাখলো, তারপর কেমন যেন হঠাৎ তাড়াতাড়ি বাথরুমে,  আবার সেই আওয়াজ…. কানচাপা দিয়ে,দাঁতে দাঁত চেপে রইলো, বাথরুম থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে বেরিয়ে বিভাস বললো,জল দাও। কঙ্কণা, বিভাস কে বসিয়ে এক গ্লাস জল এগিয়ে দিলো। প্রথম কথা, কবে,কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে গো? আমাকে নিয়ে চলো, বলে কঙ্কণার হাত ধরে আবার কেঁদে উঠলো।কঙ্কণা শুধু বললো, কোথাও যেতে হবে না গো। তুমি এতোটা ভাবনায় এনেছো, আস্তে আস্তে আমিই সারিয়ে তুলবো তোমায়। নাকটা একটু চিপে আলতো গালে টোকা দিয়ে বললো মশাই আমার কোলে শোও, আমি তোমায় ঘুম পাড়িয়ে দিই! আর তুমি? আমি পরে শোবো! এই ভাবে,বাগানের কাজ,একটু বেরোনো, একটা আড্ডা, সব মিলিয়ে চললো মাস ছয়। আস্তে আস্তে বিভাস একদিন বললো, আমি তোমায় আজ ঘুম পাড়াবো!!! এসো বলে বুকের মাঝে নিয়ে কঙ্কণার মাথায় হাত বোলাতে লাগলো। আশ্চর্য ব্যাপার বেশ কয়েকদিনে বিভাসের বাথরুমের রোগটা কম।হয়তো সপ্তাহে একদিন। পরম সোহাগে চোখ বুজলো কঙ্কণা। প্রতিদিন রাতটা হয়ে উঠলো, মোহময়ী রক্তে মাংসে গড়া একেবারে আপন নারী কঙ্কণা কে সুন্দর এবং রহস্যময়ী। কী ভাবে স্বামী কে আদরে সোহাগে, বন্ধুত্বে ও একান্ত সহযোগিতায় পুনরায় নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তার দৃষ্টান্ত গড়লো কঙ্কণা মজুমদার, সাইকোলজিতে মাস্টার্স। কিন্তু সবে সে বিয়ের আগে কমপ্লিট করেছিলো। তারপর ভাববার সময় হয়নি, বিয়ে অকস্মাৎ।  তাঁর প্রথম রোগী রেলের বড়ো পদস্থ কর্মী শ্রী বিভাস মাইতি।সে সফল। তবে, বাথরুমে সে আগে থাকতেই, একটার পর একটা বিকিনি পরা মডেলারের ছবি আঁটকে রাখতো, বিভাস ঘরে ঢোকার আগেই, আর পরে পরীক্ষা করে দেখতো, একটা একটা করে টেনে ছিঁড়ে দেওয়া ফটো জলের মেঝেতে ভিজে যেতে।সে সেগুলো কুড়িয়ে চিকচিকে চোখ নিয়ে কমোডে ফেলে ফ্লাস বাটন টিপতো।……………

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here